1. admin@esomoy.com : admin :
বুধবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

যশোরে শশুর শ্যালকের বিরুদ্ধে স্বর্বস্বান্ত ইট ভাটা মালিকের সংবাদ সম্মেলন

মালিক উজ জামান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ শশুর ও শ্যালকদের বিরুদ্ধে এক ভূক্তভোগী জামাতা বুধবার ২ জুলাই দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ভূক্তভোগী জামাতার নাম আলাউদ্দীন। তিনি যশোরের চৌগাছা উপজেলার বটতলা বিশ্বাসপাড়ার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

 

অভিযুক্তরা এন আর ব্রিকসের প্রায় আড়াই কোটি টাকা লুটপাট ও আত্মসাৎ করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। ২০১৯ সাল থেকে ইট ভাটা মালিক বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে এই ভূক্তভোগী জামাতা অভিযোগ করেন, তার একটি ইট ভাটা রয়েছে। এই ভাটাটি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুরে অবস্থিত। ভাটার নাম এন আর ব্রিকস। ভাটা মালিক হিসাবে তিনি শ্যালক নাসরুল্লাহ ও শশুর লুৎফর রহমান কে ভাটার ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার নিয়োগ দেন।

 

এরপর নাসরুল্লাহ, নাসরুল্লাহের পিতা ও শশুর বদরুল আলম চৌধূরী একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে আলাউদ্দীনকে জেলে পাঠায়। এরপর তারা ভাটা লুটপাট করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। একই সাথে তারা দুটি ট্রাক, দুটি মোটর সাইকেল নিয়ে যায়।

 

 

কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে আলাউদ্দীন দেখেন, ইট ভাটা শুন্য অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি তাড়াতাড়ি মহেশপুর থানায় একটি জিডি করেন যার নম্বর ১৭, তারিখ ১২/০২/২০২০।

 

 

এ বিষয়ে শশুরবাড়ির গ্রামে একটি শালিষ বৈঠক বসে। যেখানে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা দেড়কোটির বদলে ৬০ লাখ টাকা পরিশোধের রায় দেন। এই টাকা নিতে গেলে শশুর ও শ্যালকরা তাকে আর একটি অপহরণ মামলা দিয়ে জেলে পাঠায় যার নম্বর ৯৭, জি.আর -৮১৬/২০১৫।

 

 

এটি যশোর কোতয়ালি মডেল থানার একটি মামলা। ঘটনার এখানেই শেষ নয় ইট ভাটাটি নিজ দখলে নিয়ে ঐ চক্র তার নাম দিয়েছে বাহার ব্রিকস-২। বিজ্ঞ আদালত দুই বার নিষেধাজ্ঞা দিলেও প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে মহেশপুর থানা সেখানে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করতে পারেনি।

 

এরপর বাধ্য হয়ে ভূক্তভোগী আলাউদ্দীন বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলে সুষ্ঠ তদন্তের আবেদন করেন। ঐ সংস্থাটির তদন্ত টিম তদন্তে এলে বিবাদিরা ১৫ দিনের মধ্যে তার সমাধান করার অঙ্গিকার করেন। তবে পরে আর অঙ্গিকার মানেননি।

 

 

চলতি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চুড়ামনকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পাঁচ দফা নোটিশ করলেও বিবাদিরা উপস্থিত হননি। আরবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডাকলেও তাতে এই অভিযুক্ত বিবাদিরা সাড়া দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এখন স্বর্বস্বান্ত হয়ে যথাযথ বিচার দাবি পথে পথে করছেন, ইট ভাটা মালিক আলাউদ্দীন।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, আলাউদ্দীনের ছেলে কুতুব উদ্দীন ও ফুফা শশুর আমজাদ হোসেন।

 

 

সা/মি এসময়

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2023
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It