1. news@esomoy.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@esomoy.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

চিকিৎসা ব্যয় কমাবে “স্বাস্থ্য কর”

Reporter Name
ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

স্বাস্থ্য কর কমাবে চিকিৎসা ব্যয়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

দেশে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় ও চাপ উলে­খযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর ৭০ শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে হয়ে থাকে।

ফলে স্বাস্থ্য কর আরোপের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ও ব্যক্তির চিকিৎসা ব্যয় কমানো সম্ভব।

এক্ষেত্রে চিনিযুক্ত খাবার, পানীয়, বেভারেজ ও তামাকজাত দ্রব্যের ওপর উচ্চ হারে করারোপ করা জরুরি।

একই সঙ্গে একটি স্বাস্থ্য কর নীতি প্রণয়ন করতে হবে বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশ্লেষকরা।

গতকাল মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো (বিইআর) ও বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি) আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কর নীতি’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন।

এনবিআর-এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদুর রহমান।

বিশেষ অতিথি স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হক, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী (অতিরিক্ত সচিব) হোসেন আলী খোন্দকার, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের হেড অব প্রোগ্রামস শফিকুল ইসলাম ও পরামর্শক ফাহিমুল ইসলাম।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কারিগরি পরামর্শক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশে চিনিজাতীয় খাবার ও তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণের কারণে অসংক্রামক রোগের হার দ্রুত বাড়ছে।

গবেষণায় দেখা যায়, বর্তমানে ৪৮ শতাংশ স্কুলশিক্ষার্থী এবং ৯৫ দশমিক ৪ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী চিনিযুক্ত সফট ড্রিংকস গ্রহণ করে।

প্রতিদিন কেউ এসব পানীয় বা চিনিযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে বছরে তার ওজন ৫ পাউন্ড বেড়ে যায়।

পাশাপাশি তাদের টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২৬ শতাংশ বেড়ে যায়।

ফলে চিনিযুক্ত খাবার মানবস্বাস্থ্যের মারাÍক ঝুঁকি তৈরি করছে।

তারা আরও বলেন, প্রতিবছর বাংলাদেশে তামাকজনিত রোগে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করতে হলে একটি শক্তিশালী তামাক কর নীতি প্রণয়ন করতে হবে।

একই সঙ্গে সব ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করতে হবে।

তারা আরও বলেন, চিনিযুক্ত খাবার, পানীয় ও জামাকজাত দ্রব্য ছাড়াও পরিবেশের ওপর ক্ষতি করে এমন যে কোনো কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিবেশ কর আরোপ করতে হবে।

সভায় এনবিআর-এর বৃহৎ করদাতা ইউনিট, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব লোকাল গভর্নমেন্ট, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনের প্রতিনিধিসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost