1. news@esomoy.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@esomoy.com : admin :
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন

জুমার দিনের ফযীলত

নেহাল আহম্মেদ নাঈম
ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

এসময় ডেস্কঃ

জুমার দিন বা শুক্রবার সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনের মর্যাদা ও তাৎপর্য অনেক বেশি। এ সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিস রয়েছে। নিম্নে জুমার দিনের ফজিলত আমরা হাদিসের আলোকে তুলে ধরলাম।

 

জুমার দিনের ফজিলতের কারণে এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।

 

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেন, ‘সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়াছে। এই দিনে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিনে তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। (মুসলিম শরীফ, হাদিস: ৮৫৪)

জুমার দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে পবিত্র জুমার নামাজ সুন্দরভাবে আদায় করা, ভালোভাবে পাক-পবিত্র হয়ে যাওয়া, সুগন্ধি ব্যবহার করা, জুমার নামাজের জন্য সকাল সকাল প্রস্তুতি নেওয়া।

এ সম্পর্কে এক হাদীসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর যে বান্দা জুমার দিন গোসল করবে এবং উত্তম পোশাক পরিধান করবে, অতঃপর সুগন্ধি ব্যবহার করবে, যদি তার কাছে সুগন্ধি থাকে।

তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য কোনো মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়।

নির্ধারিত নামাজ আদায় করে।

তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত চুপ করে থাকে।

তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সমস্ত সগিরা গুনাহর জন্য কাফ্ফারা হবে।

(আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)

 

জুমার দিনের বিশেষ ফজিলতের কারণ সমূহঃ

 

জুমার রাতে বান্দার আমল আল্লাহ তাআলার দরবারে পেশ করা হয়।

 

হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অর্থাৎ জুমার দিন রাতে আদম সন্তানের আমল (আল্লাহর সামনে) পেশ করা হয়। তখন আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীদের আমল কবুল করা হয় না।

 

সুতরাং আমাদের উচিত অবশ্যই এদিনে বেশি বেশি আমল করা যাতে করে মহান রবের সামনে আমাদের আমলনামা কিছুটা হলেও ভারী হয়।

এবং অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখা উচিত আমরা যাতে করে আমাদের আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখি কারো সাথে সম্পর্ক ছিন্ন না করি কারণ আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা অনেক গর্হিত একটি কাজ।

তাছাড়াও জুমার দিনের বিশেষ আমল হচ্ছে, সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করা।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর উপর দুরুদ পাঠ করা। বেশি বেশি ইস্তেগফার করা যাতে করে আমরা আল্লাহর কাছে নিজেদের করা গুনাহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করতে পারি।

প্রিয় পাঠক প্রতিদিন নিয়মিত ইসলামিক লেখা পড়তে এ সময়ের সাথে থাকুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost