1. news@esomoy.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@esomoy.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৫ অপরাহ্ন

সিসিটিভির ফুটেজে চিহ্নত বিকাশ চক্রের প্রতিনিধি 

মোঃ মোখলেছ মোল্লা
ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

সিসিটিভির ফুটেজে চিহ্নত বিকাশ চক্রের প্রতিনিধি 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

শরীয়তপুরের ডুবিসায়বর বন্দর কাজির হাট ছাগল হাটায় ৭ বছর যাবৎ ব্যবসা করে বিকাশ লেনদেনে সেবা দিয়ে আসছেন ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব রামকৃষ্ণপুর গ্রামের স্থায়ী  বাসিন্দা আতাউর গনি।

তার বড় ছেলে ডুবিসায়বর আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট মিয়া।

প্রতিষ্ঠান চালানোর পাশাপাশি সম্রাট মিয়া মাঝে মধ্যে দোকানে আসেন, বসেন এবং তার বাবার কাজে সহযোগিতা করেন।

সিসিটিভির ফুটেজ অনুযায়ী-
গত ২রা এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর ২ টা ৩২ মিনিট নাগাদ নাম না জানা এক অচেনা ব্যাক্তি এসে দোকানে কিছুক্ষণ সময় দাঁড়িয়ে থেকে বিকাশ লেনদেন খাতাটি হাতে নিয়ে হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায়।

পরে সম্রাট মিয়ার দোকানে কাষ্টমার বিকাশে লেনদেন করতে আসলে শত খোঁজাখুঁজি করার পর ও খাতা খুঁজে পান না তিনি।

এক সময় হঠাৎ করেই মনে পড়ে যায় তার দোকানে থাকা সিসিটিভি ফুটেজের কথা।

তৎক্ষনাৎ তিনি তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করেন দাঁড়িয়ে থাকা লোকটি আসলে বিকাশ চক্রের লোক ছিল।

তার বিকাশ লেনদেন খাতাটি বিকাশ চক্রের লোক চুরি করে নিয়ে গেছে। বিকাশ চক্রের লোকটিকে তিনি চিনতে পারেন নি।

তাই তিনি দেরি না করে তাদের সাথে প্রতিনিয়ত যারা বিকাশ লেনদেন করেন, তাদের প্রত্যেককে মুঠোফোনে কল দিয়ে সতর্ক করার জন্য চুরির বিষয়টি খুলে বলতে গেলে, সেবাগ্রহনকারীর মধ্যে অনেকেই তাকে জানান,  কিছুক্ষন আগেই তো আপনি আমাকে কল দিয়ে বিকাশের পিন নাম্বার চাইলেন এবং বললেন আমার বিকাশ একাউন্টি লক হয়ে গেছে।

কেউ কেউ আবার বলেছেন আমার বিকাশ একাউন্ট না কি  হ্যাক হয়ে গেছে তাই পিন নাম্বার চেঞ্চ করা লাগবে।

পরে ভুক্তভোগী সম্রাট মিয়া কোনো কিছু বুঝতে না পেরে “এসময় পত্রিকা” কে কল করে বিষয়টি জানান।

ঘটনার সূত্রপাতে “এসময়” এর স্টাফ রিপোর্টার মোখলেছ মোল্লা ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য
ঘটনাস্থলে হাজির হন।

সম্রাট মিয়াকে চুরির ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি “এসময়” কে বলেন, প্রতিনিয়ত আমার দোকানে প্রায় থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিকাশে লেনদেন হয়।

তাছাড়া এখানে রকেট এবং নগদে ও লেনদেন হয়।

এর আগে ও কয়েকবার আমার দোকান থেকে বিকাশের খাতা চুরি হয়েছিল।

কে বা কারা চুরি করেছে তা চিহ্নিত করতে পারি নি।

তাই বাধ্য হয়েই এইবার দোকানের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ৪ টি সিসি ক্যামেরা বসিয়েছি। আমার পুরো দোকানটিই সিসিটিভিতে আওতাভুক্ত ছিল।

এতো নিরাপত্তা থাকার পরেও আমার লেনদেনকৃত খাতাটি বিকাশ চক্রের লোক নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমি আমার সকল কাষ্টমারদের চুরি হওয়ার ব্যাপারে অবগত করেছি, সে ক্ষেত্রে বিকাশ চক্রের লোক যদি কোনো প্রকার ছলচাতুরি করে কারোর কাছ থেকে টাকা পয়শা বা অন্য কিছু হাতিয়ে নিতে সক্ষম হয় তার জন্য আমি দায়ি থাকব না।

তিনি আরও বলেন আমি বা আমরা বিকাশের দোকানদার যারা আছি, তারা কখনই কারোর থেকে বিকাশ পিন নাম্বার বা ভেরিফিকেশন কোড চাইব না। তাই আপনারা নিজ থেকে সকলেই সচেতন থাকবেন।

সম্রাট মিয়ার পিতা আতাউর গনি প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সিসিটিভির ফুটেজে বিকাশ চক্রের লোকটিকে চেনা না গেলে ও তাকে পুরোপুরি ভাবে চিহ্নিত করা গিয়েছে।

সেজন্য আমিসহ সকল বিকাশ দোকানদারের প্রসাশনের নিকট অনুরোধ রইল সিসিটিভির ফুটেজ এর মাধ্যমে লোকটিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান করা হউক।

মো.মি/ এসময়। 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost