প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 1, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 26, 2025 ইং
খুব শিগগিরই গাজায় যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিঃ ট্রাম্প।

খুব শিগগিরই গাজায় যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিঃ ট্রাম্প।
নিউজ ডেস্কঃ
গাজায় যুদ্ধ বন্ধের একটি চুক্তি খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত বয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (২৫শে সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠদের আগে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, 'আমাকে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। আমি মনে করি, আমরা এটা করতে পারবো। আশা করি চুক্তি হবে। অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, কিন্তু আমরা বন্দিদের ফিরিয়ে আনতে চাই।'
সিরিয়া নিয়েও বড় কোনো ঘোষণা আসছে বন্ধু্যুও জানান ট্রাম্প। তবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি। ট্রাম্প বলেন, 'আমি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছি যাতে তারা কিছুটা স্বস্তি পায়, কারণ নিষেধাজ্ঞাগুলো খুব কঠিন ছিল।
তবে আজই সিরিয়া নিয়ে একটি বড় ঘোষণা দেওয়া হবে বলে আমি মনে করি।' তুরস্কের উপর থাকা নিষেধাজ্ঞা নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। আঙ্কারার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। তবে শর্ত দিয়ে তিনি বলেন, 'রাশিয়া যখন ইউক্রেনে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে, তখন আমি চাই না ভায়া রাশিয়ার কাছ থেকে কোনো ডেল কিনুক।' বর্তমানে রাশিয়া থেকে ভেল ফেনা ইউরোপের প্রধান দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক, হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়া রয়েছে।
প্রায় ছয় বছর পর এরদোয়ান হোয়াইট হাউসে সফর করলেন। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন অস্ত্র ও বাণিজ্যিক চুক্তির বিনিময়ে নতুন বোঝাপড়ায় আগ্রহী, আর আঙ্কারাও এই সুযোগ কাজে লাগাতে চাইছে। ওভাল অফিসের বৈঠকে ট্রাম্প এরদোয়ানকে একজন 'খুব কঠিন মানুষ' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, 'আমি মনে করি, তিনি যা ফিনতে চান তা কিনতে সফল হবেন।'
প্রসঙ্গত, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে ওয়াশিংটন তুরস্ক থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল। ন্যাটো জোটের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে এর প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় আসার পর তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছেন এবং এরদোয়ানের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
তথ্যসূত্রঃ ডিবিসি
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারী : ESOMOY