ঢাকা | বঙ্গাব্দ

প্রকৌশলী হানিফ মোহাম্মদ মুর্শিদীর অনিয়ম ও দূর্নীতি দেখবে কে (পর্ব-০১)

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 27, 2025 ইং
প্রকৌশলী হানিফ মোহাম্মদ মুর্শিদীর অনিয়ম ও দূর্নীতি দেখবে কে (পর্ব-০১) ছবির ক্যাপশন: প্রকৌশলী হানিফ মোহাম্মদ মুর্শিদীর অনিয়ম ও দূর্নীতি দেখবে কে (পর্ব-০১)
ad728
বিশেষ প্রতিনিধি :

ঢাকা জেলার  সাবেক দোহার ও সাভার উপজেলার পোষ্টিং থাকা অবস্থায় বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে কাজ না করে ব্যাপক অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও বিপুল পরিমান ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী হানিফ মুর্শিদী ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

জানাগেছে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের (এলজিইডি ও উপজেলার রাজস্ব তহবিল) উন্নয়ন তহবিল এর কাজে ব্যাপক অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের নাম সর্বোচ্চ স্কীম গ্রহণ করে উপজেলা পরিষদ রেজুলেশন অর্ন্তভুক্তি করে পিআইসি যাহার প্রতিটি ২০ লক্ষ টাকা এবং আরএফকিউ যাহা প্রতিটি দশ লক্ষ টাকা কাজ না করে  হানিফ মুর্শিদী ও তার সহযোগী মো: রাজিব হোসেন (উপ-প্রকৌশলী) মিলে গোপন প্রকল্পের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা নাম মাত্র ফাইল খুলে তার বিপরীতে টাকা উত্তোলণ করে ভাগাভাগী করেছে। গত জানুয়ারী/২৫ হইতে জুন/২৫ এর মাসিক রেজুলেশনের পিআইসি, আরএফকিউ এবং দরপত্রের মাধ্যমে গৃহীত স্কীম সমূহের ১০%-১৫% প্রতিটি স্কীমের অপ্রয়োজনীয় আইটেম, সংশোধিত প্রাক্কলন দেখিয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকার দরপত্র কীমের ১৫ কোটি টাকার অর্থ উত্তোলণ করে ভাগাভাগী করছে বলে জানা যাচ্ছে। যাহা নথি ও এসব সাইট পর্যালোচনা করে সত্যতা পাওয়া গেছে।

এছাড়া আরএমসি ঢালাই কোম্পানী হতে কমিশনের মাধ্যমে নিম্নমানের ঢালাইয়ের কাজ করানো। বর্তমানে ইউনিব্লক দ্বারা নির্মিত রাস্তায় কমিশনের মাধ্যমে নিম্ন মানের ইউনিব্লক ও কর্বষ্টোন রাস্তার কাজে ব্যবহার করায় প্রত্যকটি রাস্তার দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এক মাত্র তাহার কমিশন বাণিজ্যের কারনে।

 হানিফ মুর্শিদী উপজেলা প্রকৌশলী ও তার সহযোগী  রাজিব হোসেন উপ সহকারী দোহার উপজেলার কর্মরত থাকাকালীন সময়ে উপজেলা পরিষদে পিআইসি এর মাধ্যমে বিভিন্ন কাজের বিপরীতে শুধুমাত্র টাকা উত্তোলণ করেছে। দোহারে উপজেলা পরিষদ ও ডরমেটরী ভবনের কমিশনের মাধ্যমে অগ্রিম ঠিকা প্রদান করার কারনে ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করেছে। দীর্ঘদিন পর দোহারে হানিফ মোহাম্মদ মুর্শিদী উপজেলা প্রকৌশলী সালমান এফ রহমানের ছোট ছেলে খ্যাত থাকার কারনে কেহ মুখ খুলে কথা বলতে পারে নাই। তাই আগষ্ট/২৪ এর পর সে ভোল পাল্টিয়ে বিএনপি বনে গেছে।

দোহারের কর্মরত থাকা কালীন মো: রাজিব উপ-সহকারী প্রকৌশলী থাকাকালীন তাহার স্ত্রী গণভবনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে এএসআই পদে থাকাতে রাজিবের মুখে যে কথা বলত তাহাই গণভবনের কথা বলে সাধারণ মানুষ মেনে নিতে বাধ্য হতো।

বর্তমানে জনাব হানিফ মুর্শিদী সাভার উপজেলা প্রকৌশলী উপজেলা পরিষদের কাজে কার্যাদেশ প্রদান করে কাজের আগেই ৫% টাকা আদায় করে এবং কাজের লে-আউট এর সময় অপ্রয়োজনীয় আইটেম দেখিয়ে ১৫% পর্যন্ত Revissed Esfimate করিয়ে উক্ত অংশ ভাগাভাগী করেছে।

দোহার উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের এলজিইডির রাস্তার অগ্রিম বিল প্রদান করেছে। পরবর্তীতে ৫ আগাষ্ট/২৪ এর পর পলাতক ঠিকাদারের কাজ বাতিলযোগ্য, কিন্তু দেখা যাচ্ছে ঐ সকল কাজের অগ্রিম বিল প্রদান করা আছে যাহাতে পলাতক ঠিকাদার এর নিকট হতে অগ্রিম বিলের টাকা রি-কভারী সম্ভব হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রকৌশলী হানিফ মোহাম্মদ মুর্শিদী প্রতিবেদককে বলেন, এগুলো সব মিথ্যা, সাভারে আমি মাত্র তিন মাস ছিলাম। জুন মাস পাইনি। তাছাড়া তিন মাস সময়কে আমরা হিসাবে ধরিনা। তাছাড়া আমি বি এন পি করি, এ বিষয়ে ভয় পাইনা। যা মন চায় করুন। তবে তথ্য সুত্র বলছে ভিন্ন কথা। হানিফ মোহাম্মদ মুর্শিদীর বিষয়ে খতিয়ে দেখা এখন সময়ের দাবি।
(চলবে)


নিউজটি পোস্ট করেছেন : মিম

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুড়িগ্রামে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

কুড়িগ্রামে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।