নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বিগত ০৫ই আগষ্ট ২০২৪ইং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনসাধারনের সমর্থনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মাধ্যমে গণঅভুখান সংগঠিত হয়।
উক্ত অভ্যুথানের পরবর্র্তী সময়ে ১৭/০২/২০২৫ইং তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রাম মহানগর আহŸায়ক কমিটি অনুমোদন হয় এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাধীন ১৮/০৬/২০২৫ইং তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, পতেঙ্গা থানা কমিটি অনুমোদন হয়। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বন্দর-পতেঙ্গা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কমিটির নাম ব্যবহার করে কিছু কতিপয় ব্যক্তি সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এরই মধ্যে, কেফায়েত উল্লাহ নাম ব্যবহার করে করা বিভিন্ন অপপ্রচার আমাদের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কোনো এক স্বার্থন্বেষী মহল অত্র সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে সরকারি-বেসরকারি মিল কল-কারখানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মচারীগণদের হেয় প্রতিপন্ন করতে ভিত্তিহীন অভিযোগ উপস্থাপন করেছে, যা চরম অনাকাক্সিক্ষত।
আমরা স্পষ্টত উল্লেখ করতে চাই যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর ও পতেঙ্গা থানা কমিটিতে কেফায়েত উল্লাহ নামধারী কোন ব্যক্তি নেই। আরও উল্লেখ্য যে, বন্দর থানা কিংবা বন্দর-পতেঙ্গা নামে কোন কমিটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি আদর্শিক ছাত্র সংগঠন। যা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও চারিত্রিক উন্নয়নে কাজ করে আসছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পতেঙ্গা থানা কমিটির কোন সদস্য কখনো কোনো বিশৃঙ্খলা বা অন্যায় কাজের সাথে জড়িত ছিল না এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না। আরমান জামিল অপু সহ অনেক আন্দোলনকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আহŸান জানান তারা যেন ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচার বন্ধ করে। পাশাপাশি যে কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই বাছাই করার জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রাম মহানগর ও পতেঙ্গা থানা কমিটির সাথে যোগাযোগ করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
মাজহারুল ইসলাম শিপন