ঢাকা | বঙ্গাব্দ

উল্লাপাড়ায় সুপারের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 17, 2025 ইং
উল্লাপাড়ায় সুপারের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ ছবির ক্যাপশন: উল্লাপাড়ায় সুপারের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ করায় শিক্ষিকা বরখাস্ত, এলাকায় তোলপাড়
ad728
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: 

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের বিনায়েকপুর দাখিল মাদ্রাসায় ঘুষের অভিযোগ নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সুপারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও কর্তৃত্বের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরপরই এক শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, মাদ্রাসার সুপার আব্দুস সামাদ এনটিআরসি থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মোমেনা খাতুনের কাছ থেকে যোগদানের সময় দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরবর্তীতে এমপিও করানোর কথা বলে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। শুধু তাই নয়, মাদ্রাসার অডিট বাবদ স্টাফদের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী শিক্ষিকা মোমেনা খাতুন জানান,
“আমি বৈধভাবে এনটিআরসি থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও সুপার বারবার আমার কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় তিনি আমাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করতে থাকেন। বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করি। এর পরদিনই তিনি আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে এক দিনের নোটিশে বরখাস্ত করেন।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুপার আব্দুস সামাদ তার স্ত্রীকে মাদ্রাসার সভাপতি করে পারিবারিক আধিপত্য বিস্তার করে প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। মাদ্রাসার হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সুপারসহ তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শিক্ষক নিয়মিত অনুপস্থিত থাকেন। একাডেমিক কার্যক্রমের বেশিরভাগই পরিচালিত হচ্ছে সুপারের ঘনিষ্ঠ শিক্ষক আব্দুস সালাম-এর মাধ্যমে।

শিক্ষকদের অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে মাদ্রাসার সামগ্রিক শিক্ষা পরিবেশ ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ অভিভাবক ও এলাকাবাসীর। অনুপস্থিত শিক্ষকদের ক্লাস পরিচালনা করছেন আয়া-পিয়নরা, ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক স্থবিরতা নেমে এসেছে। প্রতিবছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ধসের অন্যতম কারণও এটিই বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সুপার আব্দুস সামাদ কে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাদের বিশ্বাস বলেন,
“অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন,বিষয়টি আমি জেনে তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিখুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : সুজন আহমেদ

কমেন্ট বক্স
পা ভাঙ্গার প্রতিজ্ঞা, গণধোলাইয়ের ইশারা, শ্রীপুরের রহস্যময় রা

পা ভাঙ্গার প্রতিজ্ঞা, গণধোলাইয়ের ইশারা, শ্রীপুরের রহস্যময় রা