ঢাকা | বঙ্গাব্দ

নির্বাচন সফলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বড়: সিইসি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 19, 2025 ইং
নির্বাচন সফলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বড়: সিইসি ছবির ক্যাপশন: নির্বাচন সফলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বড়: সিইসি
ad728

শাহজাহান বাশার,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার 
ঢাকা, বুধবার (১৯ নভেম্বর ২০২৫)
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক ভূমিকাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন সফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর চেয়েও বড় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলোর। দলগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করলে নির্বাচন কমিশনকে বাড়তি চাপ নিতে হয় না।”বুধবার (১৯ নভেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ আহ্বান জানান। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আচরণবিধি মেনে চলা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে পারস্পরিক সহায়তার ওপর জোর দেন তিনি।সংলাপের শুরুতে সিইসি বলেন,“শুধু নির্বাচন কমিশনই নয়, সব রাজনৈতিক দলই জাতির কাছে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য ওয়াদাবদ্ধ। সবাই কিন্তু একটা সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য জাতির কাছে ওয়াদা দিয়েছেন।”তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন শুধু ইসির কাজ নয়; বরং রাজনৈতিক দল, ভোটার এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকার মাধ্যমেই নির্বাচন স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক হয়।সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন—“নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশনের প্রত্যাশা, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনী আচরণবিধি পরিপালনে তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখবে।”তিনি আরও বলেন,“সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি, যার প্রধান শর্ত আচরণবিধি মেনে চলা।”ইআরএসসি (নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন)-এর সুপারিশ, রাজনৈতিক দলগুলোর লিখিত মতামত এবং বিভিন্ন সংস্থার পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করে আচরণবিধির চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান,“গত বছরের ২৪ নভেম্বর শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছিল। তবে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাজ চলমান থাকায় একইসঙ্গে আরেকটি আলোচনা পরিচালনা করতে চাইনি। কমিশনের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরই এই পূর্ণাঙ্গ সংলাপ শুরু করা হয়েছে।”তিনি মনে করেন, আলোচনা বিলম্বিত হওয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও সুসংহত হয়েছে এবং আচরণবিধির মান আরও উন্নত হয়েছে।গত ১০–১৫ বছরে ভোটারদের মধ্যে যে ভোট-বিমুখতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে রাজনৈতিক নেতাদের বিশেষ প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন সিইসি। তিনি বলেন—“জাতীয় নেতৃবৃন্দ, পলিটিক্যাল লিডাররা যারা সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত...আপনারা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে একটু ভূমিকা রাখবেন। আমরা আশা করি, মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসবে, এবং ব্যাপক সংখ্যায় আসবে।”সমাপনী বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন,“রাজনৈতিক দল, দেশের ভোটার, নির্বাচন কমিশন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী—সবাই মিলে কিভাবে আমরা জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারি, সেই লক্ষ্যে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ শাহজাহান বাশার

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে

দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে